Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

মমতার ডাক, জুনিয়র ডাক্তারদের অনড়তা: রাজনীতির নাটকে সমাজের স্বাস্থ্যের কি অবস্থান?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার স্বাস্থ্যভবনের সামনে জুনিয়র ডাক্তারদের ধরনা মঞ্চে পৌঁছে আন্দোলন তুলে নেওয়ার আবেদন করেন, কিন্তু ডাক্তাররা দৃঢ়তর। মিডিয়া ও লাইভ স্ট্রিমিংয়ের প্রতি তাঁদের অনড় অবস্থান যেন বর্তমান রাজনীতির এক মায়া—চেহারার পরিবর্তন, অভ্যন্তরে সেই একই পুরনো অসন্তোষ। নেতাদের করুণ কণ্ঠস্বর এবং চিকিৎসকদের অবিচলতা, একদিকে শাসনের অদৃশ্য সহিংসতা, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের অসহায় চাহনি, পুরো চিত্রটাই যেন সমাজের দ্বিচারিতা ফুটিয়ে তোলে।

মমতার ‘সদিচ্ছার’ আড়ালে সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের অন্ধকার, সুকান্তবাবুর বিরোধী প্রশ্ন: আসল উদ্দেশ্যটা কী?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অর্জন যেন এক নাটকের অভিনয়, যেখানে সদিচ্ছার পক্ষে গাওয়ার দক্ষতা দিয়ে জনগণের মন জয় করতে চাচ্ছেন। কিন্তু সুকান্তবাবুর মতে, তা শুধু রাজনৈতিক স্টান্ট; সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর অসন্তোষ ও অবরুদ্ধ সমাজের সুর কেন?

“মুখ্যমন্ত্রীদের ‘দিদি’ রূপ: জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে মমতার প্রতিশ্রুতি, রাজনীতির নতুন নাটক উন্মোচিত!”
শনিবার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্যভবনের সামনে জুনিয়র ডাক্তারদের ধরনায় হাজির হয়ে 'দিদি'র ভূমিকা পৌঁছলেন, যেন সরকার নয়, মানবিকতার প্রতীক। ডাক্তারদের আন্দোলন তুলে নেওয়ার আবেদনের সঙ্গে দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতিও যোগ করলেন। প্রশ্ন উঠছে, এই মানবতা কি সর্বদা রাজনৈতিক কলেজের পাঠ্যপুস্তকে সমৃদ্ধ হয়, নাকি কেবল বিরোধের ফলস্বরূপ? বাঙালির চেতনায় এমন নৈকট্য নতুন আলো ফেলে।

টালায় FIR গায়েব, ফরেন্সিকের তদন্তে রাজনীতির নতুন নাটক—জনতার চোখ খুলতে হবে!
টালা থানার নিখোঁজ FIR-কে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু করে ময়নাতদন্তের ঘটনা যেন নৈতিকতার বিপর্যয়ে রাজনীতির এক চিত্র। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের আগমনের মধ্যে যে রহস্যের গন্ধ রয়েছে, তাতেই স্পষ্ট, সরকারের গোষ্ঠীগত দুর্বলতা ও সাধারণ মানুষের হতাশা যুক্ত। বর্তমানে স্বাধীনতার ইতিহাসের জন্য লোকালয়ের শান্তির প্রহরী হয়ে উঠা আন্দোলনের প্রতি জনতার আগ্রহ আর সামান্য বিশ্বাসের ভাঙন, সবকিছুই এলোমেলো। জনগণের প্রশ্ন, আইন কোথায়, নাকি ক্ষমতাধরদের সুরক্ষা রাজনীতির অঙ্গ?

“গোটা অপরাধ ঢাকার চেষ্টায় ‘বিচারের বাণী’ কি সত্যিই গলা টিপে ধরেছে, প্রশ্ন شديد মানুষের মনে?”
সিবিআইয়ের আইনজীবীর বাণী যেন এক মহৎ নাটক, যেখানে অপরাধের মহিমা লঘু করতে এক অপার দক্ষতা প্রকাশ। পুলিশের নতমুখী ভূমিকা, অভিজিৎ মণ্ডল নামের একজনের নিষ্কৃতি, সমস্তটাই যেন এক নাটুকে উপস্থাপনা। নেতাদের দায়িত্বহীনতায় সমাজের অন্ধকার উজ্জ্বল হয়, আর আমরা শুধুই দর্শক!

শুনানির পর উত্তেজনার বশবর্তী হয়ে আইনজীবীদের মধ্যে সংঘর্ষ: আইনকানুন নাকি রাজনৈতিক নাট্যরচনা?
আদালতের কোনও শৃঙ্খলা নেই, প্রশাসনেরই সংকটকাল দাবি জানানোর পর, অভিজিৎ মণ্ডলের পক্ষে সওয়াল করা আইনজীবীকে ঘিরে ধরল সহকর্মীরা। একদিকে আইনের মৌলিক সত্যগুলি, অন্যদিকে ব্যক্তি স্বার্থ; রাজনীতির এই নাটকের পর্দা এখন কতটা উন্মোচন হবে, সেই প্রশ্নটাই উঠছে। সমাজের সব স্তরে চলছে বিতর্ক, লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন হয়েছে জনগণের মনোভাবেও।

মমতার ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণায় কি গোপন বোঝাপড়ার আড়ালে বিক্ষুব্ধ চিকিৎসকদের কষ্টকে উপেক্ষা করা হচ্ছে?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের কথা; কিন্তু সেই ক্ষতি কি টাকা দিয়ে মাপা যায়? ডাক বিভাগের কর্মীরা অধিকার চাওয়ার জন্য যেভাবে ধরনায় বসছেন, তার পেছনে নবান্নের নীরবতা নগ্ন চিত্র তোলে। কালীঘাটে নবান্নের আড়ালে বৈঠক? সাধন আর সাধনার এই বাজে খেলা সমাজে প্রশ্ন তোলে, নেতৃত্বের আসল মুখ কি আসলে শুধুই নাটকের অংশ?

“মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির আগে ডাক্তারদের বৈঠক: সঙ্গীত আর সঞ্চার, জনগণের জন্য খুলতে পারে নতুন দৃশ্যপট!”
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনা করতে, কিন্তু কিছু জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠক যেন নাটকীয়তা বাড়ানোর খেলা। মুখোশের আড়ালে চলা এই আলোচনা যদি জনমানসে লাইভ হত, তবে হয়তো জনগণকেও বুঝতে সুবিধে হত। চিত্রনাট্যের পেছনে গোপনীয়তা ও বক্তৃতার অলঙ্করণে, শাসন ব্যবস্থা কি সত্যি স্বচ্ছ, নাকি শুধুমাত্র টেলিভিশনের পর্দায় একটি প্রদর্শনী?

“কলকাতা পুলিশের প্রতি জনগণের অবিশ্বাস: বিনীত গোয়েলের বক্তব্যে উন্মোচিত হলো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন রাজনীতি!”
কলকাতা পুলিশের প্রতি জনসাধারণের বিশ্বাস হারানোর মধ্যে রয়েছে সমাজের নৈতিক বিপর্যয়, যেখানে বিনীত গোয়েল অসৎ উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমের প্রচারের কটাক্ষ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া ও খবরের মানহানির পেছনে ক্ষমতার খেলায় নাগরিকতার মর্যাদা হতাশার পৃষ্ঠে লেখা, যেন রাষ্ট্রের গায়ের চামড়া এলোমেলো হয়ে গেছে, আর মিষ্টি কথা তো যেন তালগোল পাকিয়ে ঘরের কোণে পড়ে রয়েছে।

“মেয়রের মস্কো সফর রোধ, কেন্দ্রে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা বৃদ্ধি – জয়প্রকাশের তীর্যক সমালোচনা”
নবান্নের তলানিতে লুকিয়ে থাকা গুহ্য রাজনীতির বলি, কলকাতা মেয়রের মস্কো সফর বাতিল হয়েছে সরকারি আশঙ্কার প্রশ্নবাণে। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনার ভয়ে নিষিদ্ধ এই যাত্রা, অথচ তৃণমূলের জয়প্রকাশ মজুমদার কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তুললে তো রাজনীতির খেলার ময়দানেই যেন এক নতুন শ্বাসপ্রশ্বাস। সমাজের আসল মানচিত্র কি সত্যিই এতটাই অন্ধকার?