Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

“ভাইরাল অডিয়োয় সঞ্জীব দাস: অতিবামের প্রশ্ন, নাকি তৃণমূলের পথে রাজনৈতিক পুতুল? নেতাদের অন্তরালে কি সত্যি!”
বাংলার রাজনীতির গাদাগুদিতে, ভাইরাল অডিয়ো কাণ্ডে সঞ্জীব দাস ধৃত হওয়ার পর, প্রশ্ন উঠেছে, তিনি কী প্রকৃত বামপন্থী, নাকি তৃণমূলের একটা ছত্রছায়ার পুতুল? শতরূপ ঘোষের যুক্তি যেমন সাংঘাতিক, তেমনি প্রসঙ্গ তুলে ধরছে, ক্ষমতার খেলা কেমন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করে। রাজনৈতিক নাটক আর সামাজিক কৌশলে ত্রিকোণে বাঁধা, সবার চোখেই যেন তৃণমূলের মায়াবী আন্দোলন।

মুখ্যমন্ত্রীর ‘দিদি’ রূপে চিকিৎসকদের আন্দোলন; রাজনীতির নাট্যশালায় জনগণের মোহ, কিন্তু সমাধান থমকে!
স্বাস্থ্যভবনের সামনে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 'দিদি'র পরিচয়ে সমবেত হয়ে রফাসূত্রের চেষ্টা করলেন, কিন্তু প্রশ্ন থেকে গেল—রাজনীতির খেলার এই চাতুরী কি আসলেই জনগণের সেবা, নাকি ভোটব্যাংকের প্রতি এক কমিশন চাওয়ার অঙ্গীকার? তাঁর আচরণে কিছু মানুষের মোহন নিয়ে ভাবনা, কিন্তু জনতার ক্রোধ কি ঠাণ্ডা হবে?

সিবিআইয়ের কথায় ‘সত্যিটা জানতে চাইছি’, পুলিশ আর সিবিআইয়ের মধ্যে টানাটানি, কে কার কথা শোনে?
সিবিআই-এর আইনজীবীর কথায় যুতসই প্রশ্নের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠছে, অবশেষে কি আমরা সত্যি খুঁজছি, নরেন্দ্রীয় দুর্নীতির প্রতিকার নাকি পুলিশ-সিবিআইয়ের এ যেন এক অদ্ভুত নাটক? সমাজের চেতনায় কি বদল আসবে, নাকি কেবল স্রোতে ভাসতে থাকবে রাজনৈতিক আস্ফালন? কৌতূহল যেমন বেড়ে যায়, তেমনি পাল্টে যায় সমাজের রং।

রোগীর রেফারে চিকিৎসকের ওপর হামলা: ভগবানপুরের ঘটনার নেপথ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা?
পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে চিকিৎসকের প্রতি বর্বরতা উন্মোচিত করেছে সমাজের অসহিষ্ণুতা। রোগীকে অন্য দেশে রেফার করায় এক সহকর্মীকে গণপ্রহারে শিকার হতে দেখা গেল, যেন চিকিৎসা নয়, বাঁচার তাড়না এখন বেশির ভাগের জন্য আবহে। তথাকথিত উন্নয়নের সুরেলা গাওয়া বুলিতে আমাদের মানবিকতার মূলে আঘাত আসছে আর সরকার কেবল দর্শকের মতো বসে।

“রাজনীতির নূতন রূপ: বেথুয়াডহরিতে ইদের বাজারের পথে বোমাবাজি, তৃণমূলের ‘নেতৃত্ব’ প্রশ্নে নতুন বিতর্ক!”
জনতার সেবায় শাসকের অনুপ্রেরণা, আর বোমাবাজির অসুস্থ কৌতুক—এটি কি রাজনৈতিক নাটকের একটি নতুন পর্ব? তৃণমূলের নেতা জুব্বারের গাড়িতে ইদের বাজারে যাওয়ার পথে ঘটে ঘটনার মহাবিশ্ব উল্টে দেখাচ্ছে, যেখানে গণতন্ত্রের কলঙ্ক ও বিদ্রোহের খেলা চলছে। একবিংশ শতাব্দীর অন্ধকার রাতে, শাসনের কুশীলবরা কি দেখছেন, না অবহেলায় দিতে দিতে হোঁচট খাচ্ছেন?

সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের হেফাজতে ‘চোর চোর’ স্লোগানের প্রেক্ষাপটে রাজনীতিতে নতুন রদবদল!
শিয়ালদা কোর্টে সন্দীপ ঘোষের দিকে 'চোর চোর' স্লোগান ওঠা অঙ্গীকার করছে, যেন নেতৃত্বের গুরুগম্ভীর মুখোশে বিপদসঙ্কেত। সিবিআই হেফাজতে তাঁর অবস্থান রাষ্ট্রীয় মামলায় রাজনৈতিক নাটক হয়ে উঠেছে, যা গণমানসে প্রশ্ন তুলছে—আসলে আমরা কী সরকার আগামীকাল আশা করতে পারি? সমাজের গতি পরিবর্তনের আঘাত, যখন দুর্নীতির অভিযোগগুলির ছায়ায় সত্যিকার নায়ক বাঁচতে পারে না।

কলকাতার বিমানবন্দরে চায়ের আকাশছোঁয়া দাম; আমজনতার প্রতিবাদ, কর্তৃপক্ষের নড়েচড়ে বসা!
কিসের জন্য আমাদের আনন্দ? পি চিদম্বরমের বক্তব্যে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে যাদের সমর্থনে ঝড় উঠেছে, তাদের মধ্যে কলকাতা বিমানবন্দরের চায়ের দাম এক কথায় ধাক্কা। ক্ষুধার্ত যাত্রীরা যখন দামে হতাশ, তখন কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে উঠেছে, বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, জনগণের আপত্তি শুনতে হয়। খোদ আমাদের মন্ত্রীদের আকাক্সক্ষাও যেন সাধারণ মানুষের মতই, তবে কি খেলাপি চায়ের সাথে তাদের কথাও মেলে?

দক্ষিণবঙ্গের জলমগ্ন অস্থিতিশীলতায় রাজনীতির মুখোশ: জনগণের দুর্ভোগ, নেতৃত্বের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা!
দক্ষিণবঙ্গের জলমগ্ন দশা যেন এক নতুন নাটকের বাঁধা! বন্যারিত হাত থেকে মুখ রক্ষা করতে যুদ্ধরত জনগণের পাশে প্রশাসনের উদাসীনতা প্রশ্ন তুলছে। সেতুর ভাঙা স্বপ্ন ও ধসে পড়া বাঁধের চলমান ছবি রাজনীতির নাটমূর্তি, যেখানে নেতৃত্বের এলাহি দাবি এমন সময় দগ্ধ, যখন সাধারণের জীবন বিপন্ন। প্রশাসনের কর্মতৎপরতা আর জনগণের হতাশা—দুইয়ে মিলে যেন এক ভয়াবহ কবিতা, যা প্রতিদিনের সংবাদ পত্রে ছাপা হচ্ছে।

শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় গাফিলতি: কি আদৌ ঊর্ধ্বতন কর্তাদের দায়িত্ববোধ অনুভূত হয়?
শিবমের মৃত্যুর পেছনে চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ উঠছে, কিন্তু প্রশাসনের কাছে পৌঁছানোর আগেই ঘটে যাচ্ছে অদ্ভুত এক নাটক। টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করার চেষ্টা চরম অসৌজন্যের পরিচয়, যেখানে মানবতাও প্রশ্নবিদ্ধ। ক্ষমতাশালীদের কার্যকলাপ যেন মিলনের আড়ালে সামাজিক ন্যায় ও ভরসার কফিন ঢেকে রেখেছে।

মুখ্যমন্ত্রীর ‘দিদি’ অবতার, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন এবং গ্রেফতার: রাজনৈতিক নাটকের নতুন পর্ব!
শনিবার স্বাস্থ্যভবনের সামনে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন সৃষ্টির মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর হাজিরা, তাঁর দিদি সত্তার আবির্ভাব বুকে নিয়ে আন্দোলন তুলে নেওয়ার আবেদন একদিকে, অন্যদিকে কলতান দাশগুপ্ত ও সঞ্জীব দাসের গ্রেফতারি—এ যেন এক দ্বন্দ্ব মঞ্চ, যেখানে শাসকের মায়া আর গণমানুষের কণ্টকময় পথচলা প্যাঁচ পাকাচ্ছে। কত সহজেই নেতারা 'দিদি'র মুখোশে ঢেকে ফেলেন নিজেদের কর্তৃত্বের আভিজাত্য! তবে পরিচালকেরা তো জনগণের কান্না শুনতেই পাচ্ছেন—নাকি সুরের সঙ্গেই সংবাদমাধ্যমের নৃশংস সুরের মেলা চলছে?