ভুল ভুলাইয়া ৩-এর ব্যাপক সাফল্য দেখে এখন উদ্যমের উঁচুতে রয়েছে টিম। দশ দিনের মধ্যে ছবিটি ২০০ কোটি টাকা আয়ের রেকর্ড ছুঁতে চলছে, তবে প্রমোশনের কাজ থেমে নেই। কার্তিক আর্যন ও বিদ্যা বালানের নেতৃত্বে অভিনেতারা ভারতের নানা শহরে উদ্দীপনাময় প্রচার চালিয়েছেন। তাদের পারফরম্যান্স এবং ভক্তদের উন্মাদনা বোঝা যাচ্ছে। বলিউডের এই উদ্যমে গ্রামীণ সমাজের আবেগ, চলচ্চিত্রের অবকাঠামো এবং দর্শকের পছন্দের পরিবর্তনগুলো বোঝা যাচ্ছে, যা বর্তমান ভারতীয় সিনেমার নতুন পরিকাঠামোর ধারক।
বাঙালি সিনেমার দর্শনে: ভূল ভুলাইয়া ৩-এর সাফল্যে গোপন সুশাসন এবং প্রবাহিত আকর্ষণ
ভূল ভুলাইয়া ৩, মাত্র ১০ দিনের মধ্যে ২০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে, এর টিমের মধ্যে ব্যাপক উদযাপনের পরিবেশ। তবুও, এর সাফল্যের পরেও সিনেমাটির প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। দেশ ও দুবাইয়ের বিভিন্ন শহরে একাধিক ট্যুরের পর, এবার পাটনা হয়ে শেষ হবে তাদের এই বিশাল প্রচারণা।
অভিনেতাদের প্রচার অভিযান
কার্তিক আয়ারান, বিদ্যা বালান, মাধুরি দীক্ষিত এবং তৃপ্তি দিমরি-এর নেতৃত্বে, তারা তাদের প্রচারণার শুরুর দিকে প্রবেশ করেন জয়পুরে একটি বড় ট্রেইলর লঞ্চের মাধ্যমে। শহর শহরে হৈহৈ করে তাদের উপস্থিতি দেখা গেছে, আহমেদাবাদ, সুরাট এবং দিল্লির জনপ্রিয় সমাবেশে।
পথে ভিন্নতার স্বাদ
পুনেতে কার্তিক এবং মাধুরী স্থানীয় খাবার ভাদা পাভের উপর মজা করেছেন, এবং কলকাতায় তারা ঐতিহাসিক হাওড়া ব্রিজের সামনে ফটো তুলেছেন। তারা যে মোহময় জমায়েতের মাঝে ছিলেন, তা অনেকেই সেলফি তুলে স্মরণীয় করে রেখেছে। লক্ষ্ণৌ এবং বারাণসীতে তাদের আগমনে ভিড় রেকর্ড ভেঙ্গেছে।
দুবাইয়ের রূপকথা
দুবাইতে একটি বিখ্যাত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছিল যেখানে মধ্যপ্রাচ্যের fans রুহ বাবার সাথে দেখা করতে জড়ো হয়েছিলেন। কার্তিকের এই অভূতপূর্ব কার্যক্রমে সবাই মুগ্ধ হয়েছিল। ক্যাম্পেইনের শেষস্থলে, পাটনায় তিনি তার ভক্তদের সঙ্গে এক বিশেষ কমিটি রাখবেন।
পর্দার পেছনের গল্প
ভূল ভুলাইয়া ৩-এর টিম দর্শকদের কাছে সিনেমাটি পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের বিনোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিশ্রম করছে। শনাক্তিত হয়েছে যে, এই প্রচারে কার্তিকের জন্য এর থেকে বড় কিছু নেই।
বিকাশমান বলিউড: একটি সঙ্কটজনক দিক
এটি অস্বীকার করার কিছু নেই যে, ভূল ভুলাইয়া ৩-এর সাফল্য একটি পোজিটিভ দিক, কিন্তু এতে বলিউডের বর্তমান অবস্থানে একটা সুনিশ্চিত আলা ফেলে। আজকের নাটকীয়তা, সঠিক কেন্দ্রবিন্দু থেকে সরে গেছে; বরং জলাঞ্জলির মঞ্চে রূপ নিয়েছে।
সমাজ এবং নির্মাণের প্রতিফলন
আজকের সিনেমা আর সমাজের প্রতিফলন, যা বিনোদন ছাড়াও আমাদের চিন্তা আকৃষ্ট করে। তবে, কি বিজ্ঞাপন উপজেলার স্বভাবে, আমাদের মূল্যবোধে ও সমাজে পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে।
পছন্দের পরিবর্তন
ভক্তদের হাতে আরো ঐতিহাসিক গল্পের প্রত্যাশা, যেটা সিনেমা নির্মাণের আৎড়িকতা ও বিশালতার গতি ধরছে। ভবিষ্যতের সিনেমাগুলি কিভাবে দর্শকদেরকে সামনে নিয়ে আসবে, সেটাই দেখার বিষয়।