গত রবিবার মালদা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ওঠা পর্যটকদের শিলিগুড়িতে নামার কথা ছিল, কিন্তু তাঁদের ভ্রমণের পরিকল্পনা যেন সরকারের অসভ্য আচরণের নিশান। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে আগত এসব পর্যটক, যেন এক অসুন্দর রাজনৈতিক নাটকের চরিত্র, যেখানে স্বপ্নের পাহাড়ে পৌঁছানোর আগে নিজস্ব নিরাপত্তার সংকট। আকাশে আলো কিন্তু আমাদের পায়ে এখানে মেঘ—রাষ্ট্রের দায়িত্ব কী তবে শুধুই আতিথেয়তা নষ্ট করা?
পাহাড়ের পথে পর্যটকদের সমস্যার চিত্র: শিলিগুড়ির বর্তমান পরিস্থিতি
গত রবিবার, মালদা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে উঠা পর্যটকদের শিলিগুড়িতে নামার আশায় ছিলেন। কিন্তু তাদের জন্য বাস্তবতা হয়ে উঠল হতাশাজনক। পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মগ্ন হওয়ার স্বপ্ন ছিল, কিন্তু ঘটনার মোড় নেওয়ায় তা দারুণ বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
নতুন কাহিনির সূচনা সীমান্ত পার করে
এই দুই পর্যটক বনগাঁ সীমান্তে এসে পৌঁছান, সেখানে যা ঘটল তা ছিল একটি আকর্ষণীয় কাহিনী। ভারতীয় সীমানায় প্রবেশের শুরুতে তাদের আনন্দ, কিন্তু শীঘ্রই তারা রাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। দেশের চলমান রাজনীতি জনমানসে প্রবেশ করেছে, যেখানে প্রতিদিনের ঘটনাবলী নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। পাহাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনার মাঝে এক অনিশ্চয়তা তাঁদের ঘিরে ধরে।
পাহাড়ের স্বপ্ন ও বাস্তবতার সংঘাত
শিলিগুড়ি থেকে পাহাড়ে যাওয়ার দুরন্ত পরিকল্পনা করে তাঁরা, কিন্তু রাজনীতির নাটক ও বিতর্ক এতে প্রভাব ফেলে। স্থানীয় শাসকদলের প্রতিশ্রুতির মাঝে যে অসঙ্গতি রয়েছে, তা জনসাধারণকে উদ্বেগিত করে তুলেছে। এই বিভ্রান্তি কি শুধুমাত্র ঘটনাবলী, নাকি রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অভাব?
গভীর পর্যবেক্ষণ: সরকার ও পর্যটন
গ্রামের অন্দরে পর্যটকদের আগমন দেশের অর্থনীতির দৃশ্যপটকে পাল্টে দিচ্ছে। রাজনীতি যখন মানুষের স্বপ্নের অংশ হয়ে যায়, তখন তার প্রভাবকে বুঝতে হবে। পর্যটনের ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশা বেড়ে যায়, আর রাজনৈতিক ব্যবস্থার জটিলতা সবসময়ই তাদের পাশে থাকে।
মিডিয়া ও জনমত: রাজনৈতিক নাটকের অংশ গ্রহণকারীরা
মিডিয়া এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমালোচনার ঝড় তুলেছে। এটি কিভাবে জনমানসে প্রভাব ফেলছে তা ভাবানীয়। রাজনীতির প্রভাব সৃষ্ট নাটকগুলি শুধুমাত্র অবকাশযাপন নয়, বরং সমাজের চিত্রও বিকৃত করছে। পত্রিকাগুলো চিৎকার করছে, যদি শিলিগুড়িতে আসা পর্যটকরা সরকারি প্রতিশ্রুতি না পান, তবে ভবিষ্যৎ কি অন্ধকারে ডুবে যাবে?
রাজনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা
এটি স্পষ্ট যে, দেশের দুর্ভাগ্যের মূল কারণ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অভাব। প্রকৃতির মধ্যে নতুন অভিজ্ঞতার আশায় আসা পর্যটকরা এখন রাজনৈতিক অস্থিরতার ফাঁদে পড়ে যাচ্ছেন। তবে প্রশ্ন হল—এই অজানা অভিজ্ঞতা জনসাধারণের চিন্তাভাবনা ও জীবনের নতুন দিগন্ত খুলে দিবে কি?
সার্বিকভাবে, পর্যটন কেন্দ্রিক এই ঘটনায় যে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রশ্নগুলোর উত্থান হয়েছে, তা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। আমাদের কী শুধু পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে হবে, না কি দেশের প্রকৃত অবস্থার দিকে মনোযোগ দিতে হবে? রবীন্দ্রনাথের উল্লেখ করা সেই সত্য: “এখনো জাতির আকাশে চাঁদ ওঠেনি,”… আমাদের এখনও মুক্তির পথ ধরে এগিয়ে যেতে হবে।