শিক্ষার্থীদের খাবারে ডিমের দাম বৃদ্ধি, সরকারের বরাদ্দে ঘাটতি ও শাসনের অক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সমাজ

NewZclub

শিক্ষার্থীদের খাবারে ডিমের দাম বৃদ্ধি, সরকারের বরাদ্দে ঘাটতি ও শাসনের অক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সমাজ

শিশুদের জন্য মিডডে মিলের বরাদ্দ বাড়ানো হলো, অথচ ডিমের দামে উর্ধ্বগতিতে পেটের ক্ষুধা মেটাতে পারছে না শিশুরা। সরকারি নীতির অস্বস্তিকর বিরোধীপাত, উল্লেখ করে মনে পড়ে যায় রবীন্দ্রনাথের সেই কথা—শাসক আর হিতৈষী, দুই বুড়োই নিজেদের কাজ করে যাবে, আর আমাদের চোখের সামনে খাবারের দাম বেড়ে যাবে রোজ।

শিক্ষার্থীদের খাবারে ডিমের দাম বৃদ্ধি, সরকারের বরাদ্দে ঘাটতি ও শাসনের অক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সমাজ

  • বিচারপতি সূর্যকান্তের মন্তব্য: আদালতে কর্মসংস্কৃতি প্রয়োজন, রিপোর্ট জমা না হওয়ায় চাঞ্চল্য! – Read more…
  • ধর্না মঞ্চে বিধায়ক লাভলি মৈত্রের কুরুচিকর মন্তব্যে উত্তাল সোনারপুর, তৃণমূলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে – Read more…
  • পুলিশের হাতে গ্রেফতারি: জনগণের নিরাপত্তা বা শাসনের ফালতু ব্যবহার? – Read more…
  • মাংস বিক্রেতার শ্বাসনালিতে আঘাত, পুলিশ তদন্তে নামে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা শুরু – Read more…
  • “বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার: ইসকন নেতার দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণের তুলনা, সকলের নজর কাড়ছে নেতিবাচক পরিস্থিতি।” – Read more…
  • ডিমের দাম ও মিডডে মিল সংকট: একটি রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ

    শিক্ষা এবং সমাজকল্যাণের ক্ষেত্রে সরকারের মনোযোগ আকর্ষণের সময় এসেছে। মিডডে মিলের জন্য বরাদ্দ বাড়লেও, একই সময়ে ডিমের দামও বেড়ে গেছে। এই অসামঞ্জস্য শিক্ষার্থীদের পাতে এক নতুন সমস্যা সৃষ্টি করছে। ডিমের মূল্য বৃদ্ধির ফলে, মিডডে মিলের প্রকল্পটি আর শিশুদের জন্য যথার্থ খাদ্যের উৎস হতে পারছে না; এর ফলে শিশুরা এক প্রকার রক্ষিত খাদ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের খাদ্য সংকট

    মিডডে মিলের জন্য বরাদ্দ ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে গেলেও, ডিমের দাম ৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এই বিশাল অমিল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সমস্যার সৃষ্টি করছে এবং দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। যারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শিশুদের মুখে খাবার তুলে দেবেন, তাদেরকে জানতে হবে, “রাস্তার ধারে জানিয়ে দেওয়া হলে, কি হতো – তোমরা এসো, খেয়ে যাও!”

    রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতা

    নেতৃত্বের এই অস্থিরতা কতটা বিপজ্জনক, তা ভাবার সময় এসেছে। নেতাদের প্রতিজ্ঞা ছিল, “শিশুরা অভুক্ত থাকবে না।” কিন্তু সেই প্রতিজ্ঞার ভিত্তি এখন ভেঙে যাচ্ছে। আমরা যতই শিক্ষায় অগ্রগতি লাভ করছি, শিশুদের ডিমের খাবার এখন সংকটের মুখে।

    জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া এবং আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা

    বিক্ষুব্ধ জনতা বর্তমানে সোচ্চার। খাদ্যের অধিকারের জন্য ছাত্রছাত্রীরা রাস্তায় নেমেছে। ‘মিডডে মিল বাঁচাতে হবে’ স্লোগানে তারা বিক্ষোভ করছে। তাদের দাবি স্পষ্ট – বরাদ্দ বাড়লে খাদ্য সামগ্রীর অস্বংগতি কেন চলবে? সরকার যদি এই সমস্যায় হস্তক্ষেপ করে, তবে আশাকরি কিছু পরিবর্তন আসবে। তবে প্রশ্ন হল, কতটুকু পরিবর্তন আসবে?

    সাংবাদিকতা এবং তথ্যের পরিবেশন

    মিডডে মিলের এই পরিস্থিতি কিভাবে সংবাদমাধ্যমে উপস্থাপিত হচ্ছে, সেই দিকে নজর দেওয়া জরুরি। সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেলগুলি তাদের নিজস্ব উপস্থাপনার পদ্ধতি তৈরি করেছে। এ সময় সাংবাদিকতাকে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। দেশকে সঠিকভাবে তুলে ধরা এখন তাদের দায়িত্ব। এই সংকটের সময়ে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    সমাপ্তি: সরকারের এবং জনগণের স্বার্থের সংঘাত

    সরকার এবং জনগণের মাঝে স্বার্থের সংঘাত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ডিমের দাম ও মিডডে মিলের খাবারের দিকে দৃষ্টিপাত করতে হবে। প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণীত সিদ্ধান্তগুলো কার্যকরী করা। খাদ্য এবং শিক্ষার মধ্যে সঠিক সংযোগ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যৎ শুধুমাত্র রাজনৈতিক নাটক না হয়ে ওঠে। বরং, এটি আমাদের একটি সাংস্কৃতিক অঙ্গীকার হয়ে উঠুক।

    মন্তব্য করুন