NewZclub

দেবাংশুর অভিযোগ, পুরনো বন্ধুদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্টে কি রাজনৈতিক ফাঁদ?
দেবাংশুর অদ্ভুত আবিষ্কার সারাদেশে গুঞ্জন ফেলেছে—তিনি অভিযোগ করেছেন, ফেসবুকে ৫০ জনের বেশি পরিচিত মুখ তাঁকে নতুন করে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে! তাহলে কি পুরনো বন্ধুদের বিশ্বাসের অভাব, না কি রাজনৈতির পালাবদলে সহানুভূতির খোঁজ? সমাজে সম্পর্কের এই বিভ্রান্তি আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের একটি সীমাহীন প্রতিফলন; যেখানে মুখোশ বদলানো থেকে শুরু করে স্রোতের সাথে ভেসে যাওয়াই যেন এখন সঙ্গতি।

কলকাতায় গভীর নলকূপের উদ্বেগ: জলস্তরের সংকটে সরকারের নীরবতা কি বিপর্যয়ের কারণ হবে?
কলকাতার জলস্তর বিপন্ন, এবং আমাদের রাজনীতির শীর্ষ নেতারা অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। যেভাবে পরিবেশকর্মীরা ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, তাতে মনে হচ্ছে গভীর নলকূপের সঙ্গে বন্ধুত্বই সংকটের আসল কারণ। জল, যা জীবন—মাটি, যা মা, দুটোর প্রতি আজকের দায়িত্ব পালন করা কি আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আলস্যের মুখে হাসির পাত্র নয়?

রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীতা, সুখেন্দুর জন্য বিপদে সিট বজায় রাখার চাপ
রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুনঃপ্রবেশে রাজনৈতিক খেলার বাঁশি বাজছে, যেখানে সুখেন্দুর মত নেতারা নিজেদের স্থান ধরে রাখতে মরিয়া। ২০ ডিসেম্বরের উপনির্বাচন যে কেবল ভোটের খেলা নয়, বরং অতীতের কালো ছবির চাদর উড়িয়ে দেয়া এক ভক্তি প্রকাশ। জনচেতনায় নেতাদের বদলে গিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উঠছে—ক্ষমতার খেলা কি আদৌ জনহিতকর?

অখিল ও উত্তমের দ্বন্দ্ব: কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্ক নির্বাচনের চাপ ও রাজনৈতিক নাটকীয়তা
অখিল যেভাবে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে উত্তম বারিককে দায়িত্ব পাস করলেন, তা যেন রাজনৈতিক নাট্যাংশে একটি নতুন মোড়। নেতা ও প্রশাসনের সুর মিলিয়ে এক্ষেত্রে সম্ভাব্য গৃহীত সিদ্ধান্তগুলি সমাজের মধ্যে বিতর্কের কেন্দ্রে পৌঁছেছে, যেখানে আন্তঃসমবায়ের সরঞ্জাম বিনিময়ে নেতাদের খেলা এবং জনগণের ভরসা উভয়ই প্রশ্নবিদ্ধ। এই পরিস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রাজনৈতিক ক্ষীণ প্রদীপের আলোয় সমাজের উন্নতির রাস্তা চিহ্নিত করতে গেলে উচ্চবাচ্য এবং সংকীর্ণ স্বার্থের উচ্চারণ মধ্যে দুলতে হয়।

বর্ষণের নম্বর চ্যালেঞ্জ, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
বর্ষণের খাতা হারানো নতুন চ্যালেঞ্জে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের দায়িত্বপ্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ৫৫ নম্বর পেয়ে তিনি আরটিআইয়ের মাধ্যমে খাতা দেখার দাবি তুলেছেন, যেন এটাই শিক্ষার প্রতি সমাজের হালকাভাবে নেওয়ার প্রতিফলন। সত্যি, শিক্ষার sanctum তে কতটা অবহেলা, তা জানাতে পেরেছে এই অনিয়ম! সমাজের গর্ভে, কি আবারও এক দোলাচল, যেখানে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ খেলা হয়ে যায় দুর্বল নেতৃত্বের নতুন নাটক।

তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, পুলিশ গ্রেফতার করতে অস্বীকার করায় জনগণের ক্ষোভ বেড়ে গেছে
তৃণমূল নেতা বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরেও গ্রেফতার না হওয়া পুলিশী আচরণ যেন রাজনৈতিক নাটকের একটি অভিজ্ঞতা। কটনাস্থল থেকে আটক হলেও মুক্তির স্রোতে আবারও প্রশ্ন উঠছে সরকারের নীতি ও চাহিদা, একদিকে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব, অন্যদিকে জনতার আবেগ—এ যেন সবার জন্য় একটি নতুন নাট্যরূপ।

বিধাননগরের জল সমস্যা সমাধানে নতুন প্রকল্প, তবে গরমকালে জলের সংকট ভয়াবহ!
বিধাননগরে জল সমস্যা কিছুটা কমেছে, কিন্তু গরমকালে তা আবার ভয়াবহ হয়ে ওঠে! কেষ্টপুরের নতুন জল প্রকল্প, যা প্রত্যাশিতভাবে শহরের বিভিন্ন ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহারের ওপর প্রভাব ফেলার কথা, তা আদৌ জনগণের আশা পূরণ করবে কিনা—এমন বিতর্কে এখন রাজনীতির আসর জমে উঠছে। সরকারি উদ্যোগের সার্থকতা এবং নেতাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের মধ্যে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তাতে কি আদৌ সমস্যার মূলে প্রবেশ করা সম্ভব? রাজনৈতিক শূন্যতার মাঝে স্বচ্ছতার সন্ধানে, জল আবিষ্কারের এই অভিযাত্রা আমাদের সমাজের গভীরতাকে আবারো উন্মোচন করছে।

সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে বাবা-মার হতাশা, তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডে উঠেছে নতুন প্রশ্ন
কলকাতার তরুণী চিকিৎসক হত্যার ঘটনায় সিবিআইয়ের মন্থর গতির পর বাবা-মার হতাশা নতুন দ্বন্দ্বের জন্ম দিয়েছে। গণিকাপ্রতিভা ও সমাজে নারীর নিরাপত্তার প্রশ্নে, প্রশাসন এখন চূড়ান্ত নযির হয়ে উঠলেও, কি আদৌ বদলাবে আমাদের মনোভাব? অন্তর্ভুক্তির বদলে বিচ্ছে ভরপুর এই রাজনীতির পরিসরে, নিষ্ঠুর সত্যগুলি যেন প্রহসনে পরিণত হয়ে যায়।

জোড়াই স্টেশনে ফের রেল অবরোধ, গ্রেটার কোচবিহারে আন্দোলনে নামল পিপলস অ্যাসোসিয়েশন, বাতিল বন্দে ভারত ট্রেন।
জোড়াই স্টেশনে ফের রেল অবরোধ—গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন আন্দোলন একটি নাটকীয় পালা, যেখানে বাতিল বন্দে ভারতের মতো ট্রেনের মতো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও মেঘের অন্তরালে। নেতাদের বিশ্বম্ভর নাট্যরূপ যেন ক্ষমতার খেলার আড়ালে বিপর্যস্ত জনগণের মাঝে প্রশ্ন তুলে—আসলে কারা রাজনীতির সত্যিকারের খেলোয়াড়? সমবেত জনগণের কণ্ঠস্বর কি শুধুই প্রতিধ্বনি, নাকি পরিবর্তনের কণ্ঠস্বর? এটাই এখন ভাবার বিষয়।

রাজ্য প্রশাসনের তিন স্তরের নিয়ম: সেক্রেটারিয়েটের আধিপত্য কি তৈরি করছে অসাম্য?
রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোর এই তিন ধাপের নিয়মে সেক্রেটারিয়েট প্রায় রাজদণ্ডের মতো; তাদের ভাগ্যই সুপ্রসন্ন। উপরন্তু, পদোন্নতির সুযোগও যেন এক অভিজাত ক্লাবে প্রবেশের টিকেট। কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের মাঝে এই শ্রেণীসৃষ্টির কি মূল্য আছে? সমাজের মানসিক অবস্থা ক্রমেই পরিবর্তিত হচ্ছে, তবে বঞ্চনা ও অদক্ষতার প্রতিবিম্ব কীভাবে ঠাঁই পাবে আমাদের রাজনীতির আয়নায়?